তাল্লু স্পিনিংয়ের দর বেড়েছে ২০ শতাংশের বেশি

বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি তাল্লু স্পিনিং মিলস লিমিটেডের শেয়ারদর গত সপ্তাহে ২০ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়েছে।

বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি তাল্লু স্পিনিং মিলস লিমিটেডের শেয়ারদর গত সপ্তাহে ২০ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়েছে। এতে কোম্পানিটির শেয়ার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে। সপ্তাহ শেষে শেয়ারটির দর ৮ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এর আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৬ টাকা ৯০ পয়সা।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) তাল্লু স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে লোকসান ছিল ৪৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৮৫ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে তাল্লু স্পিনিং মিলস বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৭০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৩৪ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১২ নভেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে তাল্লু স্পিনিংয়ের পর্ষদ। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ অক্টোবর।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে তাল্লু স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৯০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৮৩ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরেও বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি তাল্লু স্পিনিংয়ের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২১ পয়সা।

৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৭৩ পয়সায়।

১৯৯০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া তাল্লু স্পিনিং মিলসের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা। বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন ৮৯ কোটি ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৮ কোটি ৯৩ লাখ ৩৫ হাজার ৩৭৫। এর মধ্যে ২৯ দশমিক ৬১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা-পরিচালকের হাতে। এছাড়া ২২ দশমিক ১৩ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, দশমিক ৩৫ শতাংশ বিদেশী ও বাকি ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

আরও